Akhi alogir video fuck dating scammers from ghana roland wilson

Akhi alogir video fuck

”আমি হেসে বললাম, “মাল ছাড়ার পর এটা একটু ছোট হয়ে যায়।”ও হাসতে হাসতে বলল, “খুবই মজার জিনিস তো। একটু আগেও আমি দেখলাম প্রায় ছয় ইঞ্চির একটা এত বড় একটা জিনিস। সেটা এখন মাত্র আড়াই ইঞ্চি হয়ে গেল?

” ও যেন ভীষণ মজার একটা জিনিস দেখছে এমনভাবে ও ছোট্ট রিশাতকে দেখছিল। আমি কিছুই বলছিলাম না। চুপচাপ বসে ওর কাণ্ডকারখানা দেখছিলাম।একটু পর বলল, “এটা আবার কখন মাল ফেলতে পারবে? –তাহলেও খুব বেশি লাভ হবে না। চার পাঁচ মিনিট এদিক সেদিক হতে পারে। পুরা টাংকি খালি।–তোমার স্পার্ম কাউন্ট কিন্তু ভালো। অনেক বেড়িয়েছে।–তাই নাকি?

–ইন্টারেস্ট আছে, কিন্তু কোন আইডিয়া প্রায় শূন্যের কোঠায়। তোমার কি ছেলেদের ব্যাপারে আছে ইন্টারেস্ট ?–হুম। তোমাকে অন্য এঙ্গেল থেকে আজকে দেখলাম তো,তাই।আমার পাশে শুতে শুতে ও একটু হেসে বলল, “কোন এঙ্গেল থেকে?”–Obviously সেক্সের এঙ্গেল থেকে।মাল ছাড়ার কিছুক্ষণ পর,এই দশ পনের মিনিট পর আমার বাড়াটা সবসময় প্রমান সাইজ থেকে একটু বেশিই ছোট হয়ে যায়। লম্বায় কানি আঙ্গুলটার মত হয়ে যায়। কথা বলতে বলতে ও আমার বাড়াতে হাত দিল। দিয়েই চমকে শোয়া থেকে উঠে বসে পড়লো। চোখ বড় বড় করে বলল, “তোমার বাড়াটা এত ছোট হয়েছে কিভাবে?ফোন নাম্বার চালাচালির পর ক্যাম্পাসে আসলাম। আসতে না আসতেই দেখি সপ্না কল দিছে। বলল ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। যেই মানুষটা আমার,চার সাড়ে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট বাঁচায় দিল তার জন্য মিনিমাম কৃতজ্ঞতা দেখাতে হলেও আমার সেইদিন তার রিকোয়েস্টটা এক্সেপ্ট করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। গেলাম দেখা করতে। সারা দিন ঘুরলাম আমরা। অনেক এনজয় করেছিলাম। এমন করে ও প্রায়ই আমাকে কল দিত আর আমরা ঘুরতে যেতাম। পরে অবশ্য শুধু কৃতজ্ঞতা থেকে যাই নাই, ভালো লাগত তাই যেতাম। আমাদের মাঝে বেশ ভালই একটা রিলেশান বিল্ড আপ করেছিল। কিন্তু কিভাবে যে সেটা প্রেম হয়ে গেল সেটা আমার মাথায় ঢুকে নাই।একদিন সপ্না আমারে হাউমাউ কইরা কানতে কানতে কয় ও নাকি আমারে ভালবাসে। আমার আসলে বিয়ার আগে প্রেম জিনিসটা ভয় লাগত। পরে দেখা যাবে আমি যেই মেয়েটারে এতদিন ভালবাসতাম হ্যায় আমার ফ্যামিলিরে নেগলেক্ট করতাছে। যেটা আর যেই সহ্য করতে পারুক আর নাই পারুক আমি একদম সহ্য করতে পারি না। আরেকটা কারণ ছিল আমার মা। আমার আম্মু যদি না থাকত তাহলে হয়ত আমি আজকে এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারতাম না। সত্যি বলতে কি আমাদের পরিবারটা চলত আমার আম্মার উপর। আব্বু কিছুই করত না। ডালে ডালে জীবন কাটাইত। আর আম্মা আমারে চাকরী কইরা আইন্যা খাওয়াছে,পড়াইছে,বড় করছে। তাই আম্মুরে কষ্ট দিতে এমন কি একটা কথা এদিক সেদিক করতেও খুব ভয় লাগত। আর তাছাড়া এস.এস.সি পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ কইরা মানে আশানুরূপ রেজাল্ট করতে না পাইরা আম্মুরে খুব কষ্ট দিছিলাম। যদিও ইচ্ছা করে খারাপ করি নাই। হয়ত এটা একটা Irony fate ছিল। কিন্তু তখন আর আম্মুর মুখের দিকে লজ্জায় তাকাইতে পারি নাই। অবশ্য আম্মু কখনও আমাকে বকাঝকা করেছেন বলে আমার মনে পড়ে না,এমনকি আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও কখনও যান নাই। তাই প্রেম করলে হয়ত কিছু বলতেন না,তবুও আমার বিয়ে তো আর শুধু আমার বিয়েই না, আম্মুর ছেলেরও বিয়ে। তারও পছন্দ থাকতে পারে। তাই কোন দিন প্রেম ট্রেম করব চিন্তা করি নাই।কিন্তু এদিকে আবার সপ্নার কান্নাকাটি চলতাছিল। সব ভাইব্বা,চিন্তা কইরা সপ্নারে কইলাম, “প্রেম করতে পারি তবে তোমারে এমন হইতে হইবো যেন আম্মু তোমারেই তার ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে, আর যদি আম্মা মানা করে তাহলে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারুম না।।” ও কইল, “ঠিক আছে।” ব্যাস শুরু হইল আমাগো প্রেম।এখন আমাগো রিলেশানের সাত বছর চলতাছে। আর বিয়ের দুই বছর আজকে পূর্ণ হইল। এখন সপ্না আম্মার অনেক প্রিয় হয়ে গেছে। সারাদিন দুইজনে অনেক মজা করে। আর আম্মা সুখে আছে বলে আমিও খুশি। যাই হোক এবার আসি কাহিনীতে।সপ্নার বাসায় ঐদিন গেলাম বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। মার্চ মাসের গরম চলছিল। ঐ দিন প্রচন্ড গরমও পড়েছিল। তবে সুন্দর ঝিরঝিরে বাতাস ছিল বিকেলটাতে। গায়ের টি শার্ট টাও ঘামে ভেজা। যার জন্য কিছুটা ঠাণ্ডা লাগছিল । সপ্নাদের ফ্ল্যাটটা ছিল বনশ্রীতে। এখন অবশ্য ওটা ভাড়া দেয়া। ফ্ল্যাটটায় একটুও কার্পণ্য করে নাই ডিজাইনার। বিশাল বিশাল রুম, প্রত্যেকটার সাথে একটা বিশাল ব্যলকনি। এর মাঝে ওদের বাসা আবার বারো তালায়,সেকেন্ড টপ ফ্লোর। মানে আলো বাতাসের কোন অভাব নাই। বাসাটার ইন্টেরিওর ডিজাইনিংটাও খুব যত্ন করে করা হয়েছে। আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর লাগে ওদের ওয়াশরুম গুলা। ফ্ল্যাটটাতে যেরকম টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা তখন খুব রেয়ার ছিল। আংকেল অনেক শৌখিনও ছিলেন,তার উপর টাকা পয়সার কোন অভাব ছিল না। হয়ত এ জন্যই এত সুন্দর একটা বাসা খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন ভাবতাম কবে এমন একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারবো। পরে যখন টাকা পয়সা হইছে তখন আর ঐরকম ফ্ল্যাট পাই না। সব কমার্শিয়াল। ঢাকা, চট্টগ্রাম সব খুইজা ফালাইছি কিন্তু পাই নাই। আব্বু মানে আমার শ্বশুর যখন জানলেন ওটা আমার খুব প্রিয় তখন অবশ্য আমাকে ফ্ল্যাটটা দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন । কিন্তু লজ্জায় পড়ে মানা করেছিলাম ।আমি লিফট থেকে নেমে সপ্নাদের বাসায় কল বেল দিতেই ও দরজা খুলল। একটা টি শার্ট আর ট্রাউজার পড়নে ছিল। আমি বাসাতে ঢুকে ব্যাগটা রেখে ড্রইং রূমে সোফাতে গা এলিয়ে দিলাম। ও আমার সামনে এসে মিটমিট করে হাসছিল। আমি এগুলা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই নির্লিপ্ত ছিলাম।–কি খাবা?–দাও না যা আছে,খুব খিদা লাগছে। চারটা টিউশনি শেষ করে আসছি। আগামী কয়েকদিনের পড়াও এডভান্স করে দিতে হইছে। ভালো লাগতেছে না।–তুমি বেশি সিনসিয়ার। দরকার কি ছিল এত লোড নেয়ার?

Akhi alogir video fuck-60Akhi alogir video fuck-76Akhi alogir video fuck-39

–হ্যাঁ,দেখি মানে দেখার চেষ্টা করেছিলাম কয়েকবার।–কেন? –দেখে ভাল লাগে না। সবগুলাই একরকম। কোন ভিন্নতা নাই। একঘেয়ে।–“তোমার তাহলে ভিন্নতাও দরকার,না?

Join our conversation (20 Comments).
Click Here To Leave Your Comment Akhi alogir video fuck.

Comments:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *